
গত ১১ মে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলার জিবদিন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় শফিকুল ইসলাম ও নাহিদুল ইসলাম নিহত হন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়।
কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ড্রোন হামলায় আহতদের চিকিৎসার জন্য সেচ্ছাসেবী রক্তদাতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্থানীয় নাগরিক ও অন্য দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসেন।
কুয়েতের সরকারি বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে সব ধরনের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। যেসব ফ্লাইট কুয়েতে অবতরণের কথা ছিল, সেগুলোকে বিকল্প বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দুবাই এয়ারপোর্টস কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, কিছু ফ্লাইট অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, দুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় একজন বাংলাদেশি, ঘানার দুই নাগরিক এবং একজন ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, অন্তত দুটি ড্রোন সৌদি আরবের রাজধানীর আমেরিকান দূতাবাস প্রাঙ্গণে আঘাত হেনেছে। এর ফলে অগ্নিকাণ্ড এবং সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পাকিস্তানের ‘একাধিক স্থানে’ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও রাডার নিশানা করে আঘাত হানার দাবি করেছে ভারত। দেশটির দাবি, তাদের হামলার ফলে লাহোরে একটি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘অকার্যকর’ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (৮ মে) এক বিবৃতিতে ভারত সরকার এই দাবি করেছে।
ইয়েমেনের হুতিরা ইসরায়েলের লোহিত সাগরের বন্দর শহর ইলাতের ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে’ একাধিক ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। তবে হামলায় হতাহতের বিষয়ে তারা কিছু জানায়নি।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১৯ মে ২০২৬